এতক্ষণে সবাই জেনে গেছেন ফরেক্স মার্কেটে লেনদেন হয় বৈদেশিক মুদ্রা। কিন্তু শুধু কি বিদেশী মুদ্রাই বেচাকেনা হয় এ বাজারে? মুদ্রা ছাড়াও সোনা, রূপা ও তেলের বেচাকেনা হয় এ ফরেক্স মার্কেটে। তবে এগুলোর দামের তারতম্য খুব একটা বেশি হয় না। তাই দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয় মুদ্রা ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যম বেছে নিলে। সবার নজর মুদ্রা লেনদেনের দিকেই বেশি। কারণ, মুদ্রার বাজারে দামের ওঠানামা চলে বেশি। কোনো দেশের মুদ্রা কেনার অর্থ সে দেশের অর্থনীতির একটা শেয়ার কিনলেন আপনি। সে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হলে এবং উন্নতির দিকে গেলে আপনার লাভ হবে বেশি। আর সে দেশের অর্থনীতিতে ধস নামলে আপনার ক্ষতি। তাই অর্থনীতিবিদদের ভাষায় বলতে গেলে বলা লাগে : The eXchange rate of a currency versus other currencies is a reflection of the condition of that country’s economy, compared to other countries’ economies ।
শক্তিশালী কিছু মুদ্রার বেচাকেনা বেশি হয় ফরেক্স মার্কেটে। এ শক্তিশালী কারেন্সি বা মুদ্রাগুলোকে বলা হয় মেজর কারেন্সি বা প্রধান মুদ্রা। যেমন : যুক্তরাষ্ট্রের ডলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরো, ব্রিটেনের পাউন্ড, কানাডার ডলার, অস্ট্রেলিয়ার ডলার ইত্যাদি।
কারেন্সি সিম্বল বা মুদ্রা সঙ্কেতে তিনটি অক্ষর থাকে। প্রথম দুটি দেশের নাম ও শেষেরটি সে দেশের মুদ্রার নামের প্রথম অক্ষর প্রকাশ করে। যেমন : USD হচ্ছে মার্কিন ডলারের সঙ্কেত। এখানে US দিয়ে United States এবং D দিয়ে Doller বোঝাচ্ছে। একইভাবে বাংলাদেশের সংক্ষিপ্ত নাম BD, কারেন্সি হচ্ছে Taka আর আমাদের দেশীয় মুদ্রার সঙ্কেত হচ্ছে BDT। মজার ব্যাপার হচ্ছে ডলারের আরো অনেক নাম রয়েছে, যেমন : greenbacks, bones, benjis, benjamins, cheddar, paper, loot, scrilla, cheese, bread, moolah, dead presidents Ges cash money। এছাড়াও পেরুতে ডলারের নিকনেম বা ডাকনাম হচ্ছে কোকো।
ফরেক্স মার্কেটের প্রধান মুদ্রাগুলো
শক্তিশালী কিছু মুদ্রার বেচাকেনা বেশি হয় ফরেক্স মার্কেটে। এ শক্তিশালী কারেন্সি বা মুদ্রাগুলোকে বলা হয় মেজর কারেন্সি বা প্রধান মুদ্রা। যেমন : যুক্তরাষ্ট্রের ডলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরো, ব্রিটেনের পাউন্ড, কানাডার ডলার, অস্ট্রেলিয়ার ডলার ইত্যাদি।
কারেন্সি সিম্বল বা মুদ্রা সঙ্কেতে তিনটি অক্ষর থাকে। প্রথম দুটি দেশের নাম ও শেষেরটি সে দেশের মুদ্রার নামের প্রথম অক্ষর প্রকাশ করে। যেমন : USD হচ্ছে মার্কিন ডলারের সঙ্কেত। এখানে US দিয়ে United States এবং D দিয়ে Doller বোঝাচ্ছে। একইভাবে বাংলাদেশের সংক্ষিপ্ত নাম BD, কারেন্সি হচ্ছে Taka আর আমাদের দেশীয় মুদ্রার সঙ্কেত হচ্ছে BDT। মজার ব্যাপার হচ্ছে ডলারের আরো অনেক নাম রয়েছে, যেমন : greenbacks, bones, benjis, benjamins, cheddar, paper, loot, scrilla, cheese, bread, moolah, dead presidents Ges cash money। এছাড়াও পেরুতে ডলারের নিকনেম বা ডাকনাম হচ্ছে কোকো।






3 comments:
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর পোস্ট এর জন্য। এটা ঠিক সকল প্রকারের Asset ই এইখানে ট্রেড হয়। কিন্তু সকল ব্রকার সকল প্রকার Asset সাপর্ট করে না। এদিক থেকে OctaFX ব্রকার এ আমার কাছে সেরা মনে হয় কারন এটা ১০০ র ও বেশী Asset সাপোর্ট করে।
OctaFX ব্রোকার এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এইখানে সব প্রকারের কমোডিটিস ট্রেড করা যায়। আমি মাঝে মাঝে গোল্ড ট্রেড করে থাকি। এছাড়াও তারা সকল প্রকার স্ট্রাটিজি এল্যাও করে যেটা এক্সপার্ট ট্রেডারদের জন্য খুবই লাভজনক।
ফরেক্স মার্কেট টা তো মূলত চলে কারেন্সির উপর নির্ভর করে। কিন্তু, মেটাল হিসেবে গোল্ড এবং সিলভার বেশ জনপ্রিয়। আমি গত ছয় মাস যাবৎ OctaFX এর সাথে বেশ কিছু কমন কারেন্সি নিয়ে এবং স্পেশালি Gold নিয়ে ট্রেডিং করে আসতেসি।
অস্বীকার কারার সুযোগ নেই, ব্রোকারের চরম সাপোর্টের জন্যই আমি প্রফিটস করতে সক্ষম হয়েছি। এমনকি নিউজ টাইম ট্রেডিংয়েও OctaFX কোন সমস্যা করে না। কোন অতিরিক্স রিকোট করে না এবং সবচেয়ে কম স্প্রেডে 0.2 ট্রেড করার সুযোগ তো দিচ্ছেই।
Post a Comment