ফরেক্স সম্বন্ধে জানুন

মুদ্রা কেনাবেচার বৃহত্তম বিশ্ববাজার ফরেক্স এবং এ নিয়ে যতসব পরুন

ফরেক্স এ বাংলাদেশ

ফরেক্স ট্রেডিং এ বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও তার পরিস্থিতি সম্বন্ধে জানুন

ফরেক্স করবেন কেন?

ফরেক্স ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য কী এবং কেনো ব্যবসায়ে নামবেন তা জেনে নেয়া যাক

ফরেক্স বনাম শেয়ার মার্কেট

স্টক মার্কেটের তুলনায় ফরেক্স অনেক বড় ও অনেক বেশি সুবিধাজনক।

কিভাবে আয় করা যায়?

শেয়ার মার্কেটের বেলায় শুধু শেয়ারের দাম বাড়লেই লাভ করার সুযোগ থাকে, নতুবা নয়। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে মুদ্রার মান বাড়ুক বা কমুক অর্থাৎ শক্তিশালী হোক বা দুর্বল হোক, দুই ক্ষেত্রেই আপনি লাভ করার সুযোগ পাবেন। কারণ একটি মুদ্রার বিপরীতে আরেকটির মান বাড়বে বা কমবে।

কারেন্সির রাজা ডলার

ফরেক্স মার্কেটে ডলার আধিপত্য বিস্তার করে আছে শুরুর দিক থেকেই। বেশিরভাগ প্রধান কারেন্সি পেয়ারে ডলারের উপস্থিতি ডলারের আধিপত্যকে আরো শক্তিশালী করে তুলছে। ফরেক্স রিজার্ভে কারেন্সি কম্পোজিশনের কথা চিন্তা করলে ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী দেখা যায় ডলারের পরিমাণ ৬২%। তাই কারেন্সির রাজা হিসেবে ডলারকে অভিহিত করাই যায়। চিত্রটিতে চোখ বুলালেই কারেন্সি কম্পোজিশনে ফরেক্স রিজার্ভে বাকি কারেন্সিগুলোর অবস্থান জানা যাবে। 
ফরেক্স মার্কেটে লেনদেনে মুদ্রা হিসেবে মধ্যমণি হয়ে আছে মার্কিন ডলার। ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী ফরেক্স বাজারে ডলারের ট্রানজেকশন হয়েছে প্রায় ৮৪.৯%। এরপর দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ স্থানে ছিল যথাক্রমে ইউরো (৩৯.১%), ইয়েন (১৯.০%) ও পাউন্ড (১২.৯%)।


ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড বা আইএমএফের ভাষ্যমতে, পৃথিবীর অফিশিয়াল ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভের অর্ধেকের বেশি (প্রায় ৬২%) জুড়ে আছে মার্কিন ডলার। বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়িক কোম্পানি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবাই ডলারের সাহায্যে লেনদেন করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ফরেক্স মার্কেটে মার্কিন ডলারের মুখ্য ভূমিকা পালন করার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে : ০১. যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনীতি; ০২. মার্কিন ডলার পৃথিবীর সব দেশের রিজার্ভ কারেন্সি; ০৩. আমেরিকার রয়েছে সবচেয়ে বড় লিকুইড ফিনান্সিয়াল মার্কেট; ০৪. যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অবস্থা বেশ মজবুত; ০৫. মিলিটারি শক্তির দিক থেকেও আমেরিকার অবস্থান শীর্ষে; ০৬. মার্কিন ডলার বেশিরভাগ ব্যবসায়িক লেনদেনের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেমন- বাংলাদেশ যদি কোনো আরব দেশের কাছ থেকে তেল কিনতে চায় তবে তা টাকা দিয়ে কেনা যাবে না। তেল কেনার জন্য টাকাকে ডলারে রূপান্তরিত করে নিতে হবে। অর্থাৎ টাকা বিক্রি করে ডলার কিনতে হবে, তারপর তা দিয়ে তেল কিনে নিতে হবে।

কারেন্সি পেয়ার

ফরেক্সে একটি মুদ্রা কেনা হয় আরেকটি বেচা হয়। তাই এখানে দুটি মুদ্রার কারবার হচ্ছে। মুদ্রার এ বেচাকেনার কাজ করবে ব্রোকার বা ডিলার, একটি মুদ্রাজোড়ের বা কারেন্সি পেয়ারের ওপর ভিত্তি করে। ব্যাপারটা আরেকটু ব্যাখ্যা করা যাক, শেয়ার মার্কেটের নিয়ম হচ্ছে যেকোনো শেয়ারের মূল্য সে দেশের মুদ্রার বিপরীতে নির্ধারিত হবে। যেমন- বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটে কোনো শেয়ারের মূল্য ধরা হয় টাকায়। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে এভাবে কোনো দেশের মুদ্রা বা কারেন্সির মান নির্ধারণ অসম্ভব। শুধু ইউরো বা ডলারের কোনো মূল্য থাকতে পারে না। যেমন- ১ ডলার দিয়ে ৭৪ বাংলাদেশী টাকা পাওয়া যায়। একইভাবে ১ ডলার দিয়ে মাত্র ০.৬৯ ইউরো অথবা ০.৬১ ব্রিটিশ পাউন্ড পাওয়া সম্ভব। আবার যদি ভারতের রুপির কথা ধরা হয়, তাহলে ১ ডলার দিয়ে আপনি ৪৫ রুপি পাবেন। তাহলে ডলারের মূল্য আসলে কোনটি? বিভিন্ন দেশের মানুষই তো ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করে, কোন দামে তারা ডলার কিনবে? এ জন্যই ফরেক্স মার্কেটে সবকিছু কারেন্সি পেয়ারের মাধ্যমে ট্রেড হয়। মার্কিন ডলার ও ইউরোর মুদ্রাজোড় হচ্ছে USD/EUR এবং ব্রিটিশ পাউন্ড ও জাপানি ইয়েনের জোড় হচ্ছে GBP/JPY।


ফরেক্সের বাজারে তাই মুদ্রাজোড়ের ভূমিকা অনেক এবং বেচাকেনার সময় যেকোনো জোড়কে বেছে নিতে পারেন। মুদ্রার মাঝে এ প্রতিযোগিতাকে টাগ অব ওয়ারের সাথে তুলনা করতে পারেন। যে কারেন্সি যত বেশি শক্তিশালী হবে অপর পক্ষের কারেন্সি তত দুর্বল।


ফরেক্সে কারেন্সির এ জোড়কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।


এগুলো হচ্ছে :
০১. প্রধান মুদ্রাজোড় (মেজর কারেন্সি পেয়ার);
০২. গৌণ মুদ্রাজোড় (মাইনর/ক্রস-কারেন্সি পেয়ার);
০৩. এক্সোটিক মুদ্রাজোড় (এক্সোটিক পেয়ার)।


প্রধান মুদ্রাজোড় :
প্রধান মুদ্রাজোড়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তাতে মার্কিন ডলারের উপস্থিতি। মার্কিন ডলারের সাথে অন্যান্য বহুল ব্যবহৃত শক্তিশালী মুদ্রাজোড়কেই বলা হয় প্রধান মুদ্রাজোড়। এখানে প্রধান কারেন্সি পেয়ারগুলোর নাম, দেশ ও ফরেক্সের ভাষায় তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হলো-




গৌণ মুদ্রাজোড় :
মার্কিন ডলার বাদে অন্যান্য প্রধান কারেন্সির মাঝে যে জোড় বা ক্রস হয় সেগুলোকে গৌণ বা অপ্রধান মুদ্রাজোড় বলে। ইংরেজিতে এদের ক্রস কারেন্সি পেয়ার বলা হয়। সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রস পেয়ারগুলো সাধারণত ইউরো, ব্রিটিশ পাউন্ড, জাপানি ইয়েনের মাঝে দেখা যায়। ইউরোকে প্রথমে বা বেস কারেন্সি হিসেবে রেখে তার সাথে অন্য কোনো মুদ্রার ক্রস করা হলে বা জোড়া বানানো হলে তাকে উইরো ক্রস বলে। এভাবেই ইয়েন ক্রস, পাউন্ড ক্রস ও অন্যান্য ক্রস হতে পারে। ইয়েন ক্রসের ক্ষেত্রে ইউরো/ইয়েন এবং পাউন্ড/ইয়েন মুদ্রাজোড়ের ডাকনাম যথাক্রমে ইয়ুপ্পি ও গুপ্পি। নিচের ছকে ইউরো ক্রসের উদাহরণ তুলে ধরা হলো-




এক্সোটিক পেয়ার :
এক্সোটিক পেয়ারের বেলায় একটি প্রধান কারেন্সির সাথে কম শক্তিশালী বা ধীরে ধীরে শক্তিশালী হতে থাকা কোনো কারেন্সির সাথে যে পেয়ার বা জোড় করা হয় তাকে এক্সোটিক পেয়ার বলে। কম শক্তিশালী কারেন্সির মধ্যে রয়েছে মেক্সিকোর পেসো, ডেনমার্কের ক্রোন, থাইল্যান্ডের বাথ, বাংলাদেশের টাকা, ভারতের রুপি ইত্যাদি। জোড় বানানোর ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় প্রধান কারেন্সি হিসেবে মার্কিন ডলার থাকে। এ ধরনের পেয়ার দিয়ে তেমন একটা ট্রেড হয় না। প্রধান কারেন্সি পেয়ার ও ক্রস পেয়ারগুলো নিয়েই বেশি মাতামাতি হয়ে থাকে। নিচে কিছু এক্সোটিক পেয়ারের উদাহরণ দেয়া হলো-

কী বেচাকেনা হয় ফরেক্স মার্কেটে?

এতক্ষণে সবাই জেনে গেছেন ফরেক্স মার্কেটে লেনদেন হয় বৈদেশিক মুদ্রা। কিন্তু শুধু কি বিদেশী মুদ্রাই বেচাকেনা হয় এ বাজারে? মুদ্রা ছাড়াও সোনা, রূপা ও তেলের বেচাকেনা হয় এ ফরেক্স মার্কেটে। তবে এগুলোর দামের তারতম্য খুব একটা বেশি হয় না। তাই দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয় মুদ্রা ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যম বেছে নিলে। সবার নজর মুদ্রা লেনদেনের দিকেই বেশি। কারণ, মুদ্রার বাজারে দামের ওঠানামা চলে বেশি। কোনো দেশের মুদ্রা কেনার অর্থ সে দেশের অর্থনীতির একটা শেয়ার কিনলেন আপনি। সে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হলে এবং উন্নতির দিকে গেলে আপনার লাভ হবে বেশি। আর সে দেশের অর্থনীতিতে ধস নামলে আপনার ক্ষতি। তাই অর্থনীতিবিদদের ভাষায় বলতে গেলে বলা লাগে : The eXchange rate of a currency versus other currencies is a reflection of the condition of that country’s economy, compared to other countries’ economies ।

ফরেক্স মার্কেটের প্রধান মুদ্রাগুলো

শক্তিশালী কিছু মুদ্রার বেচাকেনা বেশি হয় ফরেক্স মার্কেটে। এ শক্তিশালী কারেন্সি বা মুদ্রাগুলোকে বলা হয় মেজর কারেন্সি বা প্রধান মুদ্রা। যেমন : যুক্তরাষ্ট্রের ডলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরো, ব্রিটেনের পাউন্ড, কানাডার ডলার, অস্ট্রেলিয়ার ডলার ইত্যাদি।

কারেন্সি সিম্বল বা মুদ্রা সঙ্কেতে তিনটি অক্ষর থাকে। প্রথম দুটি দেশের নাম ও শেষেরটি সে দেশের মুদ্রার নামের প্রথম অক্ষর প্রকাশ করে। যেমন : USD হচ্ছে মার্কিন ডলারের সঙ্কেত। এখানে US দিয়ে United States এবং D দিয়ে Doller বোঝাচ্ছে। একইভাবে বাংলাদেশের সংক্ষিপ্ত নাম BD, কারেন্সি হচ্ছে Taka আর আমাদের দেশীয় মুদ্রার সঙ্কেত হচ্ছে BDT। মজার ব্যাপার হচ্ছে ডলারের আরো অনেক নাম রয়েছে, যেমন : greenbacks, bones, benjis, benjamins, cheddar, paper, loot, scrilla, cheese, bread, moolah, dead presidents Ges cash money। এছাড়াও পেরুতে ডলারের নিকনেম বা ডাকনাম হচ্ছে কোকো।

ফরেক্স কী?

ফরেন কারেন্সি এক্সচেঞ্জ মার্কেটকে সংক্ষেপে ফরেক্স (ForeX) বা এফএক্স (FX) বা কারেন্সি মার্কেট বলা হয়। একে স্পট ফরেক্স বা রিটেইল ফরেক্সও বলা হয়। শেয়ার মার্কেটে কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হয়। কিন্তু ফরেক্সের বাজারে বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচা করা হয়। এখানে আপনি একটি দেশের মুদ্রা বিক্রি করে আরেক দেশের মুদ্রা কিনতে পারবেন। আমেরিকার মুদ্রা ডলার এবং ব্রিটেনের মুদ্রা পাউন্ড। ফরেক্স মার্কেটে আপনি ডলার বিক্রি করে পাউন্ড কিনতে পারবেন বা পাউন্ড বিক্রি করে ডলার কিনতে পারবেন।

একটি উদাহরণ দিলে ব্যাপারটি আরো স্পষ্ট হবে। ধরুন, আপনি ফ্রান্সে বেড়াতে গেলেন। সেখানে যাওয়ার পর কিছু কেনার প্রয়োজন হলো। আপনার কাছে আছে মার্কিন ডলার। আপনি যদি দোকানিকে ডলার দেন, তবে সে তা নেবে না। সে চাইবে ইউরো। তাই আপনাকে আগে ডলারের বিনিময়ে সংগ্রহ করতে হবে ইউরো বা ইউরোপীয় দেশের মুদ্রা ফ্রাঙ্ক । মানি এক্সচেঞ্জ করার জন্য আপনাকে সাহায্য নিতে হবে মানি এক্সচেঞ্জারের। তার কাছে ১০০ ডলার দিয়ে আপনি পেলেন ৭০ ইউরো। এখানে আপনি ইউরো কিনেছেন, মার্কিন ডলার বিক্রি করেছেন।

ফরেক্স মার্কেট

পৃথিবীর অন্যতম একটি শেয়ার বাজার হচ্ছে নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ। প্রতিদিন প্রায় ৭৪০০ কোটি মার্কিন ডলারের লেনদেন হয় এ বাজারে। অর্থের পরিমাণ কী বেশি বড় মনে হচ্ছে? ফরেক্স মার্কেটের তুলনায় তা অতি নগণ্য। ফরেক্স মার্কেটে দিনে প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সমান অর্থের লেনদেন হয়। ফরেক্সের এমন কোনো প্রতিষ্ঠান বা সেন্টার নেই, যে এককভাবে এত বড় অর্থের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে বা বিপুল অর্থের বিনিময় দেখাশোনা করে। প্রধানত বড় বড় ব্যাংক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্রোকারদের মাঝে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশাল এ বাজারে অর্থের বিনিময় হয়ে থাকে। ফরেক্স আগে বিভিন্ন দেশের বড় বড় ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, সাধারণ মানুষের প্রবেশ ছিল না এ জগতে। কিন্তু প্রযুক্তির কল্যাণে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর হয়ে যাওয়ায় ছোট ব্যবসায়ীদের দোরগোড়ায় এসে পৌঁছেছে ফরেক্স। অনলাইনে ইন্টারনেট কানেকশনের সাহায্যে খুব সহজেই যেকেউ প্রবেশ করতে পারেন এ বিশাল মুদ্রা বাজারে। সাধারণ মানুষ এ বাজারে অংশ নেয়ার পর থেকে এ বাজারের পরিধি আরো বিস্তৃত হয়েছে।

নিচে ফরেক্স মার্কেট (FX), নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE), টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জ (TSE) ও লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ (LSE)-এর মধ্যে গড় বেচাকেনার পরিমাণের একটি উদাহরণ গ্রাফের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো। এটি ২০১০ সালের অক্টোবর মাসের বাজারের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।



গ্রাফটি বা লেখচিত্রটি থেকে দেখা যাচ্ছে, ২০১০ সালে ফরেক্স মার্কেটের গড় বেচাকেনার পরিমাণ তথা অ্যাভারেজ ট্রেডিং ভলিউম ছিল ৩৯৮০০০ কোটি ডলার, নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের ৭৪০০ কোটি ডলার, টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জের ১৮০০ কোটি ডলার ও লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের ৭০০ কোটি ডলার। ফরেক্স মার্কেট নিউইয়র্ক, টোকিও ও লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ মার্কেটের চেয়ে যথাক্রমে ৫৩, ২২১ ও ৫৬৮ গুণ বড়। প্রায় ৪X১০১২ মার্কিন ডলার মূল্যের এ বিশাল বাজারে রিটেইল ট্রেডার বা খুচরো ব্যবসায়ী আমরা। আমরা যারা এখানে ছোটখাটো বিনিয়োগ করব তাদের অর্থের পরিমাণ প্রায় ১.৪৯ ট্রিলিয়ন ডলার। আকার দেখেই বুঝতে পারছেন কত বড় একটি মার্কেটে আপনি বিচরণ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites